H2: বিজ্ঞান ও নাস্তিকতার ভুল সম্পর্ক
অনেক নাস্তিক দাবি করে—বিজ্ঞান উন্নত হওয়ার ফলে স্রষ্টার প্রয়োজন নেই। কিন্তু এই ধারণাটি একটি বড় ভুল বোঝাবুঝির ফল। বিজ্ঞান প্রকৃতির কিভাবে (How) ব্যাখ্যা দেয়, কিন্তু কেন (Why)—এই প্রশ্নের উত্তর বিজ্ঞান দেয় না। এই ‘কেন’-এর উত্তরই দেয় ধর্ম, বিশেষ করে ইসলাম।
H2: বিজ্ঞান কি স্রষ্টার অস্তিত্ব অস্বীকার করে?
বিজ্ঞান কখনো বলেনি যে স্রষ্টা নেই। বরং আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান ও মহাকাশবিদ্যা বলে—এই মহাবিশ্বের একটি নির্দিষ্ট শুরু আছে। বিগ ব্যাং তত্ত্ব অনুযায়ী সময়, স্থান ও শক্তির সূচনা হয়েছে এক বিন্দু থেকে। প্রশ্ন হলো—এই সূচনা কে ঘটাল?
H3: কার্যকারণ সূত্র ও স্রষ্টার ধারণা
অনেক নাস্তিক দাবি করে—বিজ্ঞান উন্নত হওয়ার ফলে স্রষ্টার প্রয়োজন নেই। কিন্তু এই ধারণাটি একটি বড় ভুল বোঝাবুঝির ফল। বিজ্ঞান প্রকৃতির কিভাবে (How) ব্যাখ্যা দেয়, কিন্তু কেন (Why)—এই প্রশ্নের উত্তর বিজ্ঞান দেয় না। এই ‘কেন’-এর উত্তরই দেয় ধর্ম, বিশেষ করে ইসলাম।
H2: বিজ্ঞান কি স্রষ্টার অস্তিত্ব অস্বীকার করে?
বিজ্ঞান কখনো বলেনি যে স্রষ্টা নেই। বরং আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান ও মহাকাশবিদ্যা বলে—এই মহাবিশ্বের একটি নির্দিষ্ট শুরু আছে। বিগ ব্যাং তত্ত্ব অনুযায়ী সময়, স্থান ও শক্তির সূচনা হয়েছে এক বিন্দু থেকে। প্রশ্ন হলো—এই সূচনা কে ঘটাল?
H3: কার্যকারণ সূত্র ও স্রষ্টার ধারণা